শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের ঈদ! | বদলি নিউজ

ইএফটির নামে এমপিও শিক্ষকদের ভোগান্তি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের ঈদ!

বদলি বাণিজ্যে লিপ্ত একজন উপপরিচালক, তার দপ্তরের কর্মচারী ও বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা ভবনের বিভিন্ন পদে কর্মরত কয়েকজন কর্মচারীর সিন্ডিকেট ইতিমধ্যে কয়েককোটি টাকা হাতিয়েছে।

#টাকা #বদলি #ঘুষ

রমজানকে সামনে রেখে চালডালসহ নিত্যপণ্যের বাজারে চিরাচরিত অবৈধবাণিজ্যের শিকার এবার হতে হয়নি দেশবাসীকে। এজন্য সাধারণ জনগন অন্তর্বর্তীকালীণ সরকারকে সাধুবাদ জানালেও লাখ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের ভোগান্তি অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের ঈদ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়ে গেছে! শিক্ষকদের দাবির মুখে বদলির আদেশ হওয়া যুগ্ম-সচিবের মেয়াদ ১৮ মার্চ শেষ হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়ছেন না তিনি। তার হাতে সরকারি কলেজে বদলির ঈদ বাণিজ্য! প্রায় সাড়ে তিনশ। মোটে ৭৭ টা হয়েছে। ‍ঘুষ নিয়ে এনসিটিবি, শিক্ষাবোর্ডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির আদেশ জারির সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু সেই যুগ্মসচিব সরকারি কলেজ শাখা থেকে পানি মন্ত্রণালয়ে তার বদলির আদেশ ঠেকাতে অঢেল টাকা ঢালছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দুইজন বিতর্কিত পিএ এবং একজন উপপরিচালকের যৌথ উদ্যোগে কর্মচারী বদলি বাণিজ্য জমে উঠেছে। মহাপরিচালকের পিএ পরিচয় দেওয়া সাইফুল সাবেক মহাপরিচালক নেহাল আহমেদের সময় নিজেকে মহাপরিচালকের পিএস পরিচয় দিয়ে বদলি ও এমপিও বাণিজ্য করে কোটিপতি বনে গেছেন। মহাপরিচালকের কাছে সাইফুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে সাইফুলের পদোন্নতি হয়। ৫ আগস্টের পর কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে ফের বাণিজ্যে লিপ্ত সাইফুল। সেই সাইফুলের অবাধ যাতায়ত মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং উপপরিচালকদের কক্ষে। ফাইল দেখেন সিদ্ধান্ত দেন। শিক্ষানবিস মহাপরিচালক এবিএম রেজাউল করিম ও এহতেশামকে ভালোভাবে চালিয়েছেন সাইফুলসহ কয়েকজন। এতে সেই মহাপরিচালকরাও খুশী আর সাইফুলদের বদলি ও এমপিওবাণিজ্য তুঙ্গে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের ঈদ!

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের ঈদ!

অভিযোগ রয়েছে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদেরকে মহাপরিচালক ও পরিচালকদের কক্ষে ঢুকতেও অনুমতি নিতে হয় সাইফুলের। তাদের বদলিসহ বিভিন্ন ফাইলে চোখ বোলান সাইফুল। এতে চরম ক্ষুব্ধ সরকারি ও বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শিক্ষা বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের একাধিক সদস্য দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, গত ১৮ বছর ধরে মহাপরিচালকের দপ্তরে বদলি বাণিজ্যে লিপ্ত থাকা একজন পিএকে তিনমাস আগে ঢাকার বাইরে বদলি করা হলেও ১৪ বছর ধরে ঘুরে ফিরে একই পদে থাকা অপর এক পিএকে বদলির দাবি উঠলেও তা মানা হচ্ছে না। এতে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বদলি ও এমপিওবাণিজ্যের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত একমাসে প্রায় সাত শতাধিক সরকারি হাইস্কুল শিক্ষক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরের কর্মচারী ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি হয়েছে। এর মধ্যে একজন বেপরোয়া উপপরিচালকের ফারুক নামের একজন কোটিপতি পিএর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিটি বদলির ৭০ ভাগ উপপরিচালকের ৩০ ভাগ ফারুকের। গত পাঁচ বছর ফারুকের ভাগ ছিলো ৫০ ও উপপরিচালক বিপুলের ৫০।

জানা যায়, বিএনপি নেতা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্তাদের দোহাই দিয়ে করা বদলিগুলোর অধিকাংশই এই বদলিবাণিজ্য চক্রের। ফারুকসহ কয়েজন কর্মচারী ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত থেকে একজন উপপরিচালককে সর্বাত্মক সহায়তা করছেন, এমন অভিযোগ শিক্ষা ক্যাডার সদস্য ও কর্মচারীদের মুখে মুখে। জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে ফারুক যশোর থেকে শিক্ষা ভবনে বদলি হয়ে আসেন। সরকারি হাইস্কুল ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী বদলি করেই কোটিপতি বনে গেছেন ফারুক, এমন অভিযোগ সবার মুখে মুখে।

দৈনিক আমাদের বার্তার এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক অবশ্য নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমার শ্বশুর পক্ষের সবাই কোটিপতি। সেখান থেকে কিছু টাকা পেয়েছি। আর দুএকটা বদলির তদবির ডিডি স্যারকে করেছি, স্যার সেগুলো করে দিয়েছেন, তবে টাকার বিনিময়ে নয়, এমনিতেই।’

দুই লাখ টাকা দিয়ে একজন সরকারি হাইস্কুলের সহকারি শিক্ষক বদলি হয়েছেন এমন তথ্য প্রমাণ সাংবাদিকদের হাতে হাতে। তবে, অধিদপ্তরের কর্তারা দাবি করেন, ‘উপরের তদবিরে তারা এসব বদলি করছেন।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ মাউশি অধিদপ্তরের এক বদলির আদেশের তালিকার এক নম্বরে থাকা মো. আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পুরনো। খুলনা ডিডি অফিসে কর্মরত ছিলেন বহু বছর। কোটিটাকাসহ ধরা পড়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর তাকে ডিডি অফিসের ৫০০ গজের মধ্যে থাকা খুলনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লোকদেখানো বদলি করা হয়। কয়েকমাসের মাথায় আনোয়ারুলকে স্ববেতনে কম্পিউটার অপারেটর পদে ডিডি অফিসে বদলি করে আনা হয়। আনোয়ারুলের মূল পদ উচ্চমান সহকারি। আজ ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে কয়েক লাখ টাকা লেনদেন হওয়ার কথা খুলনা ডিডি অফিসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশি অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, এমন বদলি নজিরবিহীন। প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দুর্নীতির বড় উদাহরণ এটা। এই বদলির আদেশেও ডিডি ও তার পিএ ফারুকের ভালো বাণিজ্য হয়েছে।’

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগে শেষ অফিস আজ বৃহস্পতিবার কয়েকটা বদলি হবে শিক্ষা উপদেষ্টার দপ্তরের তদবিরের নামে। বাস্তবে এগুলোর সবই টাকার খেলা। দোহাই শুধু মন্ত্রণালয়ের। আর বাণিজ্যের বদলিতে উপরের স্যারদের সুপারিশের কৌশল চালু করেছিলেন পতিত সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের এপিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ। সেটা এখনও চালু রয়েছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক বাড়ৈ ও ফাহিমা গংদের দোসররা এখনও মাউশি অধিদপ্তরে বহাল তবিয়তে।

এতো গেলো বদলি বাণিজ্য। প্রকল্পের অস্থায়ী চাকরি স্থায়ী না করার প্রতিশেোধ হিসেবে ইএফটিতে তথ্য ভুলের অজুহাতে নামে হাজার হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন আটকে রেখেছেন ইএমআইএস সেলের জামিল ও জহির গং। জহির ও জামিলের বিরুদ্ধে ঘুষের সরাসরি অভিযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে।

অপরদিকে অভিযুক্তরা ভুল বুঝিয়ে চলছেন মাউশি কর্তাদের। গত ১৫ বছরে দুএকজন বাদে প্রায় সব মহাপরিচালক ও কলেজ শাখার পরিচালক ইএমআইএস সেল থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন এমন তথ্য শিক্ষা প্রশাসনের সবার মুখে মুখে। মহাপরিচালক ও পরিচালকরা দাবি করে আসছেন ইএমআইএস’র অস্থায়ী কর্মচারীদের হাতে তারা জিম্মি। এমপিও শিক্ষকরা বছরের পর বছর বেতন-বোনাস না পেলেও তাদের কিছুই করার নেই।

বেসরকারি শিক্ষক ফোরামের নেতা হাবিবুর রহমানের মতে, এত ভুল থাকলে এত বছর কেন ধরা হয়নি? সাড়ে তিনলাখ এমপিওশিক্ষক ও কর্মচারী বেতন ও উৎসব ভাতা ছাড়াই ঈদ করবেন। এত অবহেলা, কষ্ট ও অপমান কখনো হইনি।

তিনি বলেন, বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকরা স্বতন্ত্র অধিদপ্তর দাবি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এতে তাদের কষ্ট কিছুটা কমতে পারে। যেমন মাদ্রাসা ও কারিগরিতে মহাপরিচালকরা অসহায়বোধ করেন না। কর্মচারীদের হাতে জিম্মি না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন বেপরোয়া উপপরিচালক তার নাম ভাঙ্গিয়ে নানা অপকর্মের হোতা নাসির উদ্দিনকে বদলি ও গ্রেপ্তারের উদ্যোগ আটকে রেখেছেন। বাস্তবে ওই উপপরিচালক নাসিরের কাছ থেকে তিন দফায় সাড়ে সাত লাখ কাগজের টুকরো নিয়েছেন। কাগজগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সই রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ১৪ গ্রেডের কর্মচারীকে ১৬তম গ্রেডে স্বপদে বদলি করেছেন নজিরবিহীনভাবে। গত কয়েকমাসের বদলি বাণিজ্য নিয়ে উপপরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ কয়েকটি দপ্তরে। শিগগিরই উপপরিচালকের অবস্থা শিশিরের মতোই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানান, ঢাকা আঞ্চলিক অফিসের হিসাব রক্ষক নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তি, অভিযোগ তদন্ত, সরকারি স্কুল শিক্ষকদের বদলিসহ নানা কাজ করার অভিযোগ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরে ঢাকা অফিসের যাবতীয় বাজেটের টাকা তুলে নিয়েছিল নাসির। কারোরই কিছু করার ছিলো না। চাউর আছে শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নাসিরকে বদলি করতে ভয় পান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন নাসির উদ্দিন। তখন তিনি প্রেষণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী পদে কর্মরত ছিলেন। সে সময় নাসির উদ্দিনের প্রেষণ বাতিল করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) নির্দেশনা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নাসির উদ্দিন কীভাবে এই পদে ফিরে এলেন তা জানতে চাইলে ঢাকার আঞ্চলিক অফিসের কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ হানিফের আশ্রয়ে টিকে ছিলো নাসির।’

ডিবির হাতে গ্রেফতার নাসির কীভাবে ঢাকার আঞ্চলিক অফিসে? তার মামলাগুলোর কি খবর? এসব বিষয় জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, যতদূর মনে পড়ে সাবেক মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুকের সময়ে নাসির ঢাকায় পুনর্বহাল হন।

২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারী [নাসির ও মোতালেব] ও লেকহেড স্কুলের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সে সময় গ্রেফতারের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসির ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের পিও মোতালেবের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ তুলেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। মোতালেবও মন্ত্রণালয়ে বহাল তবিয়তে।

সে সময় যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী মো. নাসির উদ্দিনকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র ধরে মোতালেব হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দিন এবং সাবেক মন্ত্রী নাহিদের পিও মোতালেব হোসেন এমপিও, বদলি, পদোন্নতি ও নিয়োগবাণিজ্যসহ নানা সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ক্যাডার কর্মকর্তাসহ অনেক রাঘববোয়ালও জড়িত। এ সিন্ডিকেটের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছিলেন। এর মাধ্যমে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।

#টাকা #বদলি #ঘুষ